মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

খেলাধুলা ও বিনোদন

 

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ক্রীড়াঙ্গন সংক্রান্ত তথ্যাবলীঃ

 

(1) বিশেষ খেলার নামঃ ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, এ্যাথলেটিকস্, হ্যান্ডবল ও ব্যাডমিন্টন। এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিসমূহের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈস্যু সাংগ্রাই ও বিজু পালনকালে ‘সুংগুই’ খেলা, ‘ধ’ খেলা, ‘আলাঢ়ী’ খেলা, ‘ঘিলা’ খেলা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

 

(2) খেলার স্থানঃ (ক) খাগড়াছড়ি স্টেডিয়াম। (খ) খাগড়াছড়ি জিমন্যাসিয়াম । (গ) ৯ টি উপজেলা সদরের মাঠ। (ঘ) খাগড়াছড়ি পৌরসভার মাঠ। (ঙ) খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ। (চ) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিসমূহের ঐতিহ্যবাহী খেলাসমূহ আয়োজন হয় মূলতঃ গ্রাম-গঞ্জের মাঠে-ঘাটে।

 

(3) মাঠ ও স্টেডিয়াম সংখ্যাঃ (ক) মাঠ রয়েছে মোট ২২টি। (খ) স্টেডিয়ামঃ ০২টি (১) খাগড়াছড়ি স্টেডিয়াম(পূর্নাঙ্গ) (২) রামগড় স্টেডিয়াম (পরিত্যক্ত)।

 

বাৎসরিক যে সব খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয় -

ক) জেলা ফুটবল লীগ( স্থানঃ খাগড়াছড়ি স্টেডিয়াম)

খ) জেলা ক্রিকেট লীগ ( -ঐ- )

গ) জেলা ভলিবল লীগ (-ঐ-)

ঘ) জেলা হ্যান্ডবল লীগ (-ঐ-)

ঙ) জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

চ) জেলা পরিষদ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

ছ) সেনা জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

 

অন্য কোন খেলা থাকলে তার বিবরণঃ

ক) দেশে প্রচলিত খেলাধুলার পাশাপাশি পার্বত্য জেলায় আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী আলাঢ়ী-খেলা, ধ-খেলা, খয়াঙ খেলা, ঘিলা খেলা, লুডু খেলা, পাশা খেলা, পানি খেলা, কানামাছি খেলা, পোর খেলাসহ বাঁশ খড়ম দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন প্রতি বছর চৈত্র সংক্রান্তিতে অনুষ্ঠিত হয়।

 

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বিনোদন সংক্রান্ত তথ্যাবলী: পানি খেলা, ঘিলা খেলা, ধ-খেলা ও গড়ইয়া নৃত্য প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিতে অর্থাৎ চৈত্র মাসের শেষ তিনদিন ও বৈশাখের প্রথম তিনদিন এসব খেলার আয়োজন হয়ে থাকে। পানি খেলা, ঘিলা খেলা, ধ-খেলা ও গড়ইয়া নৃত্য প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিতে অর্থাৎ চৈত্র মাসের শেষ তিনদিন ও বৈশাখের প্রথম তিনদিন এসব খেলার আয়োজন হয়ে থাকে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মধ্যে রয়েছে নানা প্রকার সাংস্কৃতিক চর্চা। তাদের আবহমানকালের সংস্কৃতিকে ধরে রাখার জন্য এ জেলাতে ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট’ স্থাপন করা হয়েছে। নিম্নে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট সংক্রান্ত কিছ তথ্য প্রদান করা হলো:
 

 

 

অফিসের নাম: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।

মন্ত্রণালয়: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়

বিভাগ: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।

ফোন: ০৩৭১-৬২১৪৯(অফিস), ০৩৭১-৬২৪৪৩ (বাসা)

মোবাইল: ০১৫৫৬৪৪০১৩৬

ফ্যাক্স: ০৩৭১-৬২১৪৯

মেইল: chakmasusamoy@yahoo.com

 

কার্যক্রম: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির সংস্কৃতির বিকাশ,সংরক্ষণ, প্রসার ও প্রচারের উদ্দেশ্যে নিম্নরুপ কার্যাবলী সম্পাদিত হয়।

ক.ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির জনগণের জীবনধারা , ভাষা ও সাহিত্য, সংস্কৃতি, আচার-আচরণ, বিশ্বাস রীতি-নীতি সর্ম্পকে তথ্য সংগ্রহ করা এবং সংরক্ষণের ব্যবস্থাকরা।

খ. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির লোককাহিনী , কিংবদন্তী, স্বহস্তে লিখিত পান্ডুলিপি সংগ্রহ করে পাঠোদ্ধারেরব্যবস্থা্ করা এবং গবেষণা কাজে ব্যবহারের জন্য তাহা সংরক্ষণকরে রাখা।

গ. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিসমূহের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবিদের দ্বারা সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা।

ঘ. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিসমূহের ঐতিহ্যবাহী দূর্লভ সামগ্রী সংগ্রহ করে একটি উপজাতীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা।

ঙ. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিসমূহের ইতিহাস এতিহ্য নিয়ে গবেষণামূলক পুস্তক /সাময়িকী প্রকাশের ব্যবস্থা করা।

চ. লুপ্তপ্রায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির সংস্কৃতির উপাদানগুলো প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর মাধ্যমে সংরক্ষণ, প্রসার ও প্রচারের ব্যবস্থা করা।

ছ. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি বিষয়ক গবেষণামূলক গ্রন্থ সংগ্রহ করে একটি মূল্যবান লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গবেষকদের সহায়তা প্রদান করা।

জ. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিসমূহের ভাষা শিক্ষা , নৃত্য, নাটক, লোকগীতিসহ প্রভৃতির বিষয়ে প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা।

ঝ.ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিসমূহের ঐতিহ্যবাহী বিঝু/সাংগ্রাই/বৈসু উৎসবসহ জাতীয় উৎসবসমূহ এবং রবীন্দ্র,নজরুল, সুকান্ত জয়ন্তী সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা।